নিজস্ব প্রতিবেদক (বিডিএস ডিজিটাল ডেস্ক) তারিখ: ১৬ মার্চ, ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কারচুপি ও নানা অনিয়মের অভিযোগ এনে অন্তত ৩৫ জন পরাজিত প্রার্থী হাইকোর্টে ভোটের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করেছেন। সোমবার (১৬ মার্চ ২০২৬) বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক বেঞ্চে পৃথকভাবে দায়ের করা এসব নির্বাচনী মামলা শুনানির জন্য গ্রহণ করা হয়েছে।
আদালত মামলাগুলো আমলে নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দিয়েছেন। আদেশে সংশ্লিষ্ট আসনগুলোর ব্যবহৃত ব্যালট পেপার, সিসিটিভি ক্যামেরার রেকর্ড এবং ফলাফল সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় সকল সরঞ্জাম ও নথিপত্র যথাযথভাবে সংরক্ষণের জন্য নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে এসব আসনে বিজয়ী ঘোষিত প্রার্থীদের প্রতি কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়েছে।
আবেদনকারী ৩৫ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রধান বিরোধী জোট ও দলের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নেতা রয়েছেন:
বিএনপি: ২১ জন প্রার্থী (ঢাকা-১১, কুষ্টিয়া-৪, পাবনা-৩ সহ গুরুত্বপূর্ণ আসন)।
জামায়াতে ইসলামী: ১২ জন প্রার্থী (খুলনা-৫, পিরোজপুর-২, ঢাকা-৬ ও ৭ আসন)।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও এলডিপি: ১ জন করে প্রার্থী।
| দল | প্রার্থী ও আসন |
| বিএনপি | এম এ কাইয়ুম (ঢাকা-১১), সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী (কুষ্টিয়া-৪), হাসান জাফির তুহিন (পাবনা-৩), সৈয়দ ইমরান সালেহ প্রিন্স (ময়মনসিংহ-১)। |
| জামায়াত | মিয়া গোলাম পরওয়ার (খুলনা-৫), শামীম সাঈদী (পিরোজপুর-২), ডা. সুলতান আহম্মেদ (বরগুনা-২), জসিমউদ্দিন সরকার (ঢাকা-১০)। |
| অন্যান্য | কামরুল হুদা (কুমিল্লা-১১, বিএনপি), ওমর ফারুক (চট্টগ্রাম-১৪, এলডিপি)। |
বাংলাদেশ প্রতিদিন-এর মাঠ পর্যায়ের পর্যবেক্ষণ ও রাজনৈতিক এনালাইসিস অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এই নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ জয়ের পরও দলীয় অনেক প্রার্থী এবং জোটসঙ্গী জামায়াতের প্রার্থীদের এই আইনি পদক্ষেপ বাংলাদেশের নির্বাচনী রাজনীতিতে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে। ১৯০০ সালের ব্যালট পেপারের রাজনীতি থেকে ২০২৪-এর বিপ্লব পরবর্তী ২০২৬ সালের এই ডিজিটাল বাংলাদেশের নির্বাচনে সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশ প্রমাণ করে যে, বিচার বিভাগ এখন অনেক বেশি প্রযুক্তি-নির্ভর ও স্বচ্ছ।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, একই জোটের অংশীদার হওয়া সত্ত্বেও বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থীদের এই চ্যালেঞ্জ মূলত নিজেদের সাংগঠনিক শক্তি এবং স্থানীয় পর্যায়ের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার একটি প্রক্রিয়া। বিশেষ করে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ইমরান সালেহ প্রিন্সের মতো হেভিওয়েট প্রার্থীদের মামলাগুলো আগামী দিনগুলোতে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেবে বলে মাঠ পর্যায়ের এনালাইসিসে উঠে এসেছে।
বিডিএস ডিজিটাল ডেস্ক-এর মন্তব্য: আদালতের এই পদক্ষেপ নির্বাচনের স্বচ্ছতা যাচাইয়ে একটি বড় ধাপ। সিসিটিভি ফুটেজ ও ব্যালট পেপার সংরক্ষিত থাকলে জনমতের প্রকৃত চিত্র আইনি প্রক্রিয়ায় বেরিয়ে আসার পথ প্রশস্ত হবে।
সূত্র: ১. সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ (নির্বাচনী মামলা শাখা)।
২. প্রথম আলো ও ইত্তেফাক অনলাইন (১৬ মার্চ ২০২৬)।
৩. বাংলাদেশ প্রতিদিন-এর মাঠ পর্যায়ের আইনি ও রাজনৈতিক এনালাইসিস।
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |